AptManager

ফ্ল্যাট মালিক সমিতির জন্য

সমিতির হিসাব এখন সবার চোখের সামনে

সার্ভিস চার্জের বিল, আয়-ব্যয়ের হিসাব আর নোটিশ — সব এক জায়গায়। কমিটি হিসাব তোলে, প্রতিটি ফ্ল্যাট মালিক নিজের মোবাইলেই তা দেখতে পান। বছর শেষে সভায় আর কাগজ খুঁজতে হয় না।

কার্ড লাগবে না ফ্ল্যাটের তথ্য আমরাই বসিয়ে দেব সম্পূর্ণ বাংলায়

যে সমস্যাটা প্রতি বছর ফিরে আসে

খাতা হারায়, কমিটি বদলায়, প্রশ্ন থেকে যায়।

বাংলাদেশের বেশিরভাগ ফ্ল্যাট মালিক সমিতি এখনো খাতা, এক্সেল ফাইল আর হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে হিসাব রাখে। কমিটি সৎ হলেও প্রমাণ দেখানো কঠিন — আর সেখান থেকেই বার্ষিক সভার তর্ক শুরু হয়।

এখন যেভাবে চলে

  • কে সার্ভিস চার্জ দেয়নি — বের করতে খাতা ঘেঁটে কয়েক দিন লেগে যায়
  • “টাকাটা কোথায় খরচ হলো?” — উত্তর দিতে পুরনো রসিদ খুঁজতে হয়
  • কমিটি বদলালে হিসাব নতুন করে শুরু, আগের বছরের রেকর্ড অস্পষ্ট
  • নোটিশ লিফটের দেয়ালে — যাঁরা দেশে নেই তাঁরা কিছুই জানেন না
  • একই এক্সেল ফাইলের তিনটা ভার্সন তিন জনের ফোনে

AptManager-এ

  • বকেয়ার তালিকা এক পর্দায় — কোন ফ্ল্যাট, কত টাকা, কত মাস
  • প্রতিটি খরচের সাথে তারিখ, খাত আর কে তুলেছে তা লেখা থাকে
  • নতুন কমিটি প্রথম দিনেই আগের সব বছরের হিসাব দেখতে পায়
  • নোটিশ সব মালিকের মোবাইলে পৌঁছে যায়, দেশে-বিদেশে
  • হিসাব একটাই — সবাই একই সংখ্যা দেখেন

কীভাবে কাজ করে

চারটি ধাপ। প্রথম বিল প্রায় এক ঘণ্টায়।

কোনো সফটওয়্যার ইনস্টল করতে হয় না। ব্রাউজার খুলুন, অথবা মোবাইলে অ্যাপটি নামান।

অ্যাকাউন্ট খুলুন

ইমেইল আর মোবাইল নম্বর দিয়ে নিজেই সমিতির অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন। কার্ড লাগবে না।

ফ্ল্যাট ও সদস্য যোগ করুন

তলা আর ফ্ল্যাট সংখ্যা দিলে তালিকা নিজে থেকেই তৈরি হয়। মালিকদের নাম-নম্বর বসিয়ে দিন।

মাসের বিল তৈরি করুন

সার্ভিস চার্জের হার একবার ঠিক করুন। এরপর প্রতি মাসে এক ক্লিকে সব ফ্ল্যাটের বিল।

মালিকেরা দেখেন

প্রত্যেকে নিজের বিল, জমা আর সমিতির রিপোর্ট নিজের মোবাইলে দেখতে পান।

In English

AptManager is apartment-association management software built for Bangladesh. A committee registers the association, adds flats and members, sets the monthly service-charge rate, and generates every flat's bill in one click. Owners sign in on web or Android to see their own bills and the association's income-and-expense reports. Every entry carries the date, the category and the name of the person who recorded it, so the accounts can be checked at any time.

Read the full page in English →

পর্দায় যেমন দেখায়

ছবিগুলো সফটওয়্যারের ভেতর থেকেই তোলা।

কোনো আঁকা ছবি নয়। নিচের প্রতিটি পর্দা AptManager-এর ডেমো সমিতির — পাঁচটি টাওয়ার, ২৫০টি ফ্ল্যাট, নয় মাসের হিসাব। নামগুলো ডেমোর জন্য বসানো, সংখ্যাগুলো নিজেদের মধ্যে মেলে। নিজেই ঘুরে দেখতে পারেন

এ মাসে কে দিয়েছে, কে দেয়নি ডেমো ডেটা
AptManager-এর সার্ভিস চার্জ বিলের তালিকা: ফ্ল্যাট নম্বর, মালিকের নাম, মাস, মোট পরিমাণ, পরিশোধিত ও বকেয়া টাকা এবং প্রতিটি বিলের অবস্থা।
এক পর্দা, এক তালিকা। কোন ফ্ল্যাট কত দিয়েছে, কত বাকি, শেষ তারিখ কবে — খাতা ঘাঁটতে হয় না। টাওয়ার অনুযায়ী সার্ভিস চার্জের হার আলাদা হলে বিলেও আলাদা বসে। ফোনে ছবিটি ডানে-বামে সরিয়ে দেখুন
সমিতির তহবিল ডেমো ডেটা
সভাপতির হোম পর্দা: বর্তমান তহবিল, মোট আদায়, মোট খরচ, নিট উদ্বৃত্ত, আদায়ের হার এবং এই মাসের ব্যয়ের বিভাজন।
হাতে কত টাকা আছে, এ মাসে কত এলো, কত গেল — সভাপতি বা কোষাধ্যক্ষ ঢুকলেই দেখতে পান।
প্রতিটি খরচের অনুমোদন ডেমো ডেটা
ব্যয় ব্যবস্থাপনার তালিকা: ভাউচার নম্বর, বিক্রেতার নাম, খরচের খাত, পরিমাণ এবং খসড়া, অনুমোদনের অপেক্ষায়, অনুমোদিত, পরিশোধিত ও প্রত্যাখ্যাত অবস্থা।
ভাউচার নম্বর, কার কাছে গেল, কে অনুমোদন করল। বছর শেষে প্রশ্ন উঠলে উত্তর এখানেই থাকে।
ফ্ল্যাট মালিকের মোবাইল পর্দা: নিজের বকেয়ার পরিমাণ এবং সাম্প্রতিক মাসগুলোর বিল ও পরিশোধের অবস্থা।

মালিক শুধু নিজেরটাই দেখেন

প্রতিটি ফ্ল্যাট মালিক নিজের ফোনে নিজের বকেয়া আর বিলের তালিকা দেখতে পান — সমিতির পুরো হিসাব নয়। কমিটিকে আর আলাদা করে কাউকে জানাতে হয় না, আর “আমি তো দিয়েছিলাম” নিয়ে তর্কও থাকে না।

Google Play থেকে অ্যাপটি নামান →

কী কী আছে

প্রতিটি সমিতির যা প্রতি মাসে লাগে।

সার্ভিস চার্জ ও বিল

মাসিক বিল তৈরি, বকেয়ার তালিকা, আংশিক জমা, আর ফ্ল্যাট অনুযায়ী পার্কিং ফি।

আয় ও ব্যয়

প্রতিটি টাকা কোন খাতে, কে তুলেছে, কবে — সবকিছুর স্থায়ী রেকর্ড।

আর্থিক রিপোর্ট

মাসিক ও বার্ষিক হিসাব, বকেয়ার সারসংক্ষেপ — ছাপানোর উপযোগী।

নোটিশ বোর্ড

সভার তারিখ, পানির লাইন বন্ধ, লিফট মেরামত — সবার ফোনে পৌঁছে যায়।

রক্ষণাবেক্ষণ ও অভিযোগ

মালিক অভিযোগ দেন, কমিটি কাজের আদেশ দেয়, খরচ হিসাবে বসে যায়।

ভূমিকা অনুযায়ী অধিকার

সভাপতি, সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ, ফ্ল্যাট মালিক — যে যতটুকু দেখার, ততটুকুই দেখেন।

এছাড়া যে যে অংশ দরকার, সেটুকুই চালু করা যায় — বাকিগুলো বন্ধ থাকে, পর্দা পরিষ্কার থাকে:

  • পার্কিং ব্যবস্থাপনা Parking slots & fees
  • রক্ষণাবেক্ষণ Maintenance requests
  • অভিযোগ Complaints
  • গার্ড ও নিরাপত্তা Guards & visitors
  • ভোট ও সিদ্ধান্ত Voting
  • বাসা বদল Move in / move out
  • জামানত ও অগ্রিম Deposits & advances
  • সম্পদ তালিকা Asset inventory
  • ভেন্ডর তালিকা Vendor directory
  • বার্ষিক বাজেট Annual budget
  • ফান্ড ব্যবস্থাপনা Fund management
  • বিশেষ চাঁদা Special assessment
  • ইউটিলিটি মিটার Utility meters
  • দলিল সংরক্ষণ Document repository
  • অনুমোদন প্রক্রিয়া Approval workflow
  • অনলাইন পেমেন্ট Online payment

প্রথম যাঁরা শুরু করছেন

সেটআপের কাজটা আমরা করে দিই। আপনার শুধু সিদ্ধান্তটা লাগে।

বেশিরভাগ সমিতি সফটওয়্যার নেয় না, কারণ “সব তথ্য বসাবে কে?” — এই প্রশ্নের উত্তর থাকে না। তাই প্রথম ২০টি সমিতির ক্ষেত্রে কাজটা আমরাই করি। আপনি শুধু ফ্ল্যাটের তালিকা আর চলতি মাসের হিসাবটা দিন, বাকিটা আমাদের।

প্রতিষ্ঠাতা ২০ — শুরুর ২০টি সমিতির জন্য

First 20 associations
তথ্য বসানো আমাদের কাজ

ফ্ল্যাটের তালিকা, মালিকদের নাম-নম্বর, সার্ভিস চার্জের হার আর চলতি মাসের বকেয়া — আমরা বসিয়ে দিই। কোনো সেটআপ ফি নেই।

দাম আর বাড়বে না

যতদিন আপনি আছেন, শুরুর দিনের দামেই থাকবেন। পরে তালিকার দাম বাড়লেও আপনার প্যাকেজে হাত পড়বে না।

কমিটির সভায় আমরা আসব

ঢাকার ভেতরে হলে সভার দিন গিয়ে ১০ মিনিটে সবাইকে দেখিয়ে দিই — প্রশ্ন থাকলে সেখানেই উত্তর। শুক্রবারও চলে।

বিনিময়ে আমরা শুধু একটা জিনিস চাই — ব্যবহার করে ভালো লাগলে আপনার পরিচিত আর দুটি সমিতির সাথে পরিচয় করিয়ে দেবেন। আগ্রহ থাকলে হোয়াটসঅ্যাপে লিখুন, অথবা +৮৮০ ১৯২১-৪১৪৬৬৪ নম্বরে ফোন দিন।

সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্নটা আসে

“৩০ দিন পর টাকা না দিলে আমাদের হিসাব আটকে যাবে না তো?”

না। আপনার হিসাব আপনারই থাকে।

ট্রায়াল শেষ হলে সফটওয়্যার বন্ধ হয়ে যায় না। আপনার আয়-ব্যয়, পুরনো বিল, রিপোর্ট — সব আগের মতোই খোলা থাকে। শুধু নতুন মাসের বিল তৈরি করা থেমে থাকে। টাকা দিলে সেটিও তখনই আবার চালু।

দিন ১ – ৩০

পুরো সফটওয়্যার খোলা। ভবনের আকারের কোনো সীমা নেই। কার্ড বা অগ্রিম টাকা লাগে না।

দিন ২৪ থেকে

মেয়াদ শেষের আগেই মনে করিয়ে দেওয়া হয়, যাতে কমিটির সভায় বিষয়টি তোলার সময় থাকে।

দিন ৩১-এর পর

হিসাব, রিপোর্ট ও পুরনো বিল দেখা যাবে আগের মতোই। শুধু নতুন বিল তৈরি বন্ধ থাকে।

দাম

ভবনের ফ্ল্যাট সংখ্যা অনুযায়ী। লুকানো খরচ নেই।

ফ্ল্যাট প্রতি হিসাব নয়, প্রতি ব্যবহারকারীর জন্য আলাদা টাকা নয়। সব সদস্য যত খুশি অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। প্রতিটি প্যাকেজে উপরের সব অংশ অন্তর্ভুক্ত।

ডান দিকের কলামটা দেখুন — ফ্ল্যাট মালিকদের মধ্যে ভাগ করলে খরচটা মাসে এক কাপ চায়ের কম। সমিতির সভায় এই সংখ্যাটাই সবচেয়ে কাজে লাগে।

সব দাম বাংলাদেশি টাকায়, ভ্যাট প্রযোজ্য হলে আলাদা।
ভবনের আকার মাসিক বাৎসরিক প্রতি ফ্ল্যাটে মাসে
ছোট ভবন · ৮–২৫ ফ্ল্যাট Small building ৳১,৫০০ ৳১৫,০০০ ২ মাস ফ্রি ৳৬০
মাঝারি ভবন · ২৬–৬০ ফ্ল্যাট Medium building ৳৩,০০০ ৳৩০,০০০ ২ মাস ফ্রি ৳৫০
বড় ভবন · ৬১–১২০ ফ্ল্যাট Large building ৳৫,৫০০ ৳৫৫,০০০ ২ মাস ফ্রি ৳৪৬
কমপ্লেক্স · ১২১–২৫০ ফ্ল্যাট Complex ৳৯,০০০ ৳৯০,০০০ ২ মাস ফ্রি ৳৩৬
২৫০+ ফ্ল্যাট বা একাধিক ভবন Larger complexes যোগাযোগ করুন +৮৮০ ১৯২১-৪১৪৬৬৪

প্রতি ফ্ল্যাটের হিসাবটা প্যাকেজের সর্বোচ্চ ফ্ল্যাট সংখ্যা ধরে করা। ভবনে ফ্ল্যাট কম হলে সংখ্যাটা একটু বাড়ে, তবু মাসে ১০০ টাকার নিচেই থাকে।

সাধারণ প্রশ্ন

কমিটির সভায় যা যা জিজ্ঞেস করা হয়।

৩০ দিনের ট্রায়াল শেষ হলে আমাদের হিসাব কি মুছে যাবে?

না। ট্রায়াল শেষ হলেও আপনার সব হিসাব, রিপোর্ট আর পুরনো বিল আগের মতোই দেখা যাবে। শুধু নতুন মাসের বিল তৈরি করা বন্ধ থাকে। টাকা দিলে সেটিও আবার চালু হয়ে যায়।

ট্রায়াল নিতে কি ক্রেডিট কার্ড লাগবে?

না। শুধু একটি ইমেইল আর মোবাইল নম্বর দিয়ে নিজেই অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন। কোনো কার্ড, অগ্রিম টাকা বা চুক্তি লাগে না। ৩০ দিন পুরো সফটওয়্যার খোলা থাকে, ভবন যত বড়ই হোক।

কমিটির সদস্যরা কম্পিউটার ভালো পারেন না — তাঁরা পারবেন তো?

সফটওয়্যারটি সম্পূর্ণ বাংলায়, বড় লেখা আর বড় বোতাম দিয়ে তৈরি — যাতে ৫০ বছরের বেশি বয়সের সদস্যরাও মোবাইলে সহজে ব্যবহার করতে পারেন। শুরুর সেটআপে আমরা অনলাইনে সাহায্য করি।

সব ফ্ল্যাট মালিক কি হিসাব দেখতে পাবেন?

হ্যাঁ। প্রতিটি ফ্ল্যাট মালিক নিজের অ্যাকাউন্টে ঢুকে সমিতির আয়-ব্যয়ের রিপোর্ট আর নিজের বিলের হিসাব দেখতে পারেন। কে কী পরিবর্তন করেছে তারও রেকর্ড থাকে, তাই বার্ষিক সভায় হিসাব নিয়ে তর্ক কমে যায়।

আমাদের ভবনে একাধিক বিল্ডিং আছে — চলবে?

হ্যাঁ। একই সমিতির অধীনে একাধিক ভবন রাখা যায়, প্রতিটির ফ্ল্যাট আলাদা করে চিহ্নিত থাকে, আর রিপোর্ট একসাথে বা আলাদা করে দেখা যায়।

পুরনো হিসাব কি তোলা যাবে?

আগের মাসগুলোর আয়-ব্যয় ও বকেয়া বসিয়ে নেওয়া যায়, যাতে বছরের মাঝখানে শুরু করলেও রিপোর্ট পূর্ণ থাকে। বেশি পরিমাণ তথ্য হলে আমরা তুলে দিতে সাহায্য করি।

তথ্য কি নিরাপদ?

প্রতিটি সমিতির তথ্য আলাদা রাখা হয় — এক সমিতি অন্য সমিতির কিছুই দেখতে পায় না। কে কখন কী পরিবর্তন করেছে তার স্থায়ী রেকর্ড থাকে, এবং তথ্য মুছে ফেলার অনুরোধ করার সুযোগও আছে।

টাকাটা কে দেবে? মালিকরা রাজি হবেন তো?

এটি সমিতির খরচ — ঠিক জেনারেটরের ডিজেল বা দারোয়ানের বেতনের মতো, সার্ভিস চার্জ থেকেই যায়। ২৪ ফ্ল্যাটের একটি ভবনে ভাগ করলে মাসে ফ্ল্যাটপ্রতি ৬৩ টাকার কম পড়ে। বেশিরভাগ সমিতিতে প্রথম মাসেই দু-একটি ভুলে যাওয়া বকেয়া ধরা পড়ে, তাতেই খরচটা উঠে আসে।

আমাদের কেয়ারটেকার তো সফটওয়্যার পারবেন না।

তাঁকে নতুন কিছু শিখতে হয় না। কোষাধ্যক্ষ বা সম্পাদক বিল তৈরি করেন; কেয়ারটেকার আগের মতোই টাকা তোলেন, শুধু টাকা পেলে অ্যাপে একটি টিক দেন — এটুকু শেখাতে দশ মিনিট লাগে। বরং তাঁর সুবিধাই বেশি, কারণ কে কত দিয়েছে তার স্পষ্ট রেকর্ড থেকে যায়।

অনেক ফ্ল্যাট মালিক বয়স্ক, তাঁরা মোবাইল অ্যাপ চালান না।

মালিকদের অ্যাপ ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক নয়। যিনি চালাবেন না, তাঁকে আগের মতোই কাগজের বিল দেওয়া যায় — সেই প্রিন্টটাও সফটওয়্যারই তৈরি করে দেয়। মূল সুবিধাটা কমিটির: হিসাব আর বকেয়ার দিকটা।

আমরা যদি পরে ছেড়ে দিই, আমাদের হিসাব কি আটকে থাকবে?

না। আপনার সমিতির পুরো হিসাব — আয়, ব্যয়, বিল আর রিপোর্ট — যেকোনো সময় এক্সেল ও PDF-এ নামিয়ে নিতে পারবেন, সেটি আপনার কাছেই থাকবে। কোনো তথ্য আমাদের কাছে আটকে রাখা হয় না।

সিদ্ধান্ত কমিটির সভায় নিতে হবে — আপনারা কি সভায় দেখাতে পারবেন?

হ্যাঁ। ঢাকার ভেতরে হলে আমরা সভার দিন গিয়ে ১০ মিনিটে পুরো কমিটিকে দেখিয়ে দিই, প্রশ্ন থাকলে সেখানেই উত্তর দিই — শুক্রবারও চলে। দূরে হলে ভিডিও কলে একই কাজ করা যায়। সভার আগে হোয়াটসঅ্যাপে জানালেই হবে।

শুরু করুন

এ মাসের বিলটা আজই তৈরি করে ফেলুন।

৩০ দিন বিনামূল্যে, কার্ড ছাড়াই। ফ্ল্যাটের তথ্য বসানোর কাজটা আমরা করে দিই।